চাঁদপুরে ‘বঙ্গবন্ধু গেট’ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে চাঁদপুরের প্রবেশদ্বার বাবুরহাটে প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন ‘বঙ্গবন্ধু গেট’ নির্মাণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে দৃষ্টিনন্দন ‘বঙ্গবন্ধু গেট’ টি উদ্বোধন করেন চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওসমান গনি পাটোয়ারী।
জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।


বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) কাজী মোঃ আব্দুর রহিম, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ, যুদ্ধকালীন বিএসএফ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হানিফ পাটোয়ারী, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ও সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা প্রমুখ।
দিবসটি উপলক্ষে শিশু কিশোরদের বর্নাঢ্য র‌্যালি, কেককাটা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে চাঁদপুরের সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
প্রসঙ্গত, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটোয়ারীর উদ্যোগে ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে এই গেট নির্মাণ করা হচ্ছে। তাঁর পরিকল্পনায় ‘বঙ্গবন্ধু গেটের’ নকশা করেছেন ঢাকার একটি পরামর্শ প্রতিষ্ঠানের স্থপতি ফুয়াদ হাসান তানভির। ছয় মাস আগে নির্মাণকাজ শুরু হয়। তার জানা মতে, রাস্তার পাশে গোপালগঞ্জ পৌরসভা কর্তৃক স্থাপিত বঙ্গবন্ধু ম্যূরালের পর এটিই হচ্ছে সারাদেশে দ্বিতীয় জানান জেলা পরিষদ প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন।
স্থপতি ফুয়াদ হাসান বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনীকে ঘিরে করা হয়েছে এই গেট। যেটি দেখতে সড়কের দুই পাশ পথকে একই রকম মনে হবে। এতে ঘিরে রয়েছে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার প্রতিচ্ছবি, বঙ্গবন্ধুর চারটি ম্যুরাল, বঙ্গবন্ধুর পাঁচ সন্তানের প্রতিচ্ছবি, বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাসহ শান্তির ঝরনা প্রতীক।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটোয়ারী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু গেট’ করার উদ্যোগ নেন তিনি। এটি এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে।
তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল মুজিব জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ব্যতিক্রম কিছু করার। যেটি নতুন প্রজন্মসহ সারাদেশের মানুষের কাছে একটি উদাহরণ হয়ে থাকে। আমি আশাবাদী, ভবিষ্যৎ প্রজন্মসহ দেশবাসী এটি দেখে মুগ্ধ হবেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *