চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে আহত ১৫

আশিক বিন রহীম :
বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচন। বিভিন্ন এলাকার ভোট কেন্দ্রের সামনে হামলা-পাল্টা হামলায় ঘটনায় প্রায় ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছে। তবে প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ-বিজিবিসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিপুল পরিমানে সদস্য উপস্থিত থাকায় বড় বড় ধরনের কোন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।
১০ অক্টোবর শনিবার দুপুরে পৌরসভার আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমী, গণি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, সবদার খান উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোট কেন্দ্রের বাইর পৃথকভাবে এই বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহতরা হলেন, যুবদল নেতা জুয়েল জুয়েল দেওয়ান (৪৫), বিএনপি নেতা জলিলুর রহমান মিয়াজি (৪৫), ছাত্রদল নেতা তাজুল ইসলাম (২৫)। এদের সবাই চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে এদের মধ্যে যুবদল নেতা জুয়েল দেওয়ানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা রেফার করা হয়েছে। চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বেলা ১১টায় শহরের আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমির কেন্দ্রের সামে বিএনপি আওয়ামী লীগের কর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় দলের প্রায় ১০জন কর্মী আহত হয়।
আহত জলিলুর রহমান মিয়াজি জানায়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চাঁদপুর শহরের সবদার খান বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে আমি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ একদল সন্ত্রাসী আমার উপর দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
এদিকে বেলা ১টায় গণি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব বাঁধে। এতে এক পক্ষ ধারালো ছুরি দিয়ে ইয়াসিনের মোল্লার গলার ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। অসংখ্যাজনক অবস্থায় প্রথমে তাকে চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা বেগতিক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা রেফার করেন। ঢাকা নেওয়ার পথে বাবুরহাট এলাকায় সে মারা যায়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.