জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ২০ সদস্যের বিদায় সংর্বধনা

জেলা পরিষদ জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে : বিদায়ী চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটওয়ারী
অভিজিত রায় :
চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ২০ জন সদস্যের বিদায় সংর্বধনা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার ২৪ এপ্রিল দুপুরে বিদায় সংর্বধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মোঃ মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিদায়ী পরিষদের সকলকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার তুলে দেন জেলা পরিষদ নির্বাহী।
বিদায়ী চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গণি পাটওয়ারী তার বক্তব্যে বলেন, সবাই আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে নির্বাচন করে নির্বাচিত হয়েছিলাম। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনিা নীতি নির্ধারণী বক্তব্যকে আমি ধারন করে ৫ বছর কাজ করেছি। এ পরিষদ ইতিহাস সৃষ্টিকারী পরিষদ কারন আমরাই প্রথম নির্বাচিত পরিষদ। আমরা বছরব্যাপী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে ছিলাম, বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে পরিষদ মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়িয়ে ছিলাম।
বিদায় লগ্নে আবেগতাড়িত হওয়ায় অনেক কথাই মনে পরছে না। আমরা প্রায় প্রত্যেক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণের চেষ্টা করেছি। জাতির পিতা লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি হাজার হাজার শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দিয়েছি। চাঁদপুর আজ জেলা পরিষদ জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। আমি নমিনেশন চাইবো যদি আমাকে নেত্রী মনোনয়ন না দেন তাহলে আমি নির্বাচন করবো না। নেত্রী যাকে মনোনয়ন দিবেন তার পক্ষে আমি কাজ করবো। আমি চেষ্টা করেছি আমার দায়িত্বকালে সরকারি ছুটি ছাড়া অন্য কোন দিন একসেন্ট হইনি।
প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেলের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন, মহিলা পরিষদের নির্বাচিত; সাবেক সদস্য ও মৈশাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম পাটওয়ারী, কচুয়া থেকে নির্বাচিত রওনক আরা রত্না, আয়শা রহমান লিলি, জেলার ছাত্র লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবু, পরিষদের সদস্য চাঁদপুর শহরে থেকে নির্বাচিত মুকবুল হোসেন মিয়াজী, শাহরাস্তি থেকে নির্বাাচিত মোঃ তুহিন, হাজীগঞ্জ থেকে নির্বাাচিত ইকবাল হোসেন, ফরিদগঞ্জ থেকে নির্বাচিত মসিউর রহমান, কচুয়া থেকে নির্বাচিত জোবায়ের হোসেন, আল আমিন ফরাজী, কচুয়া থেকে নির্বাচিত সালাউদ্দিন ভূঁইয়া, সাইফুল ইসলাম রিপন।
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন অফিস সহকারী সায়েম পাটওয়ারী, সার্ভেয়ার নাছির উদ্দিন, প্রধান সহকারী মোঃ মিজানুর রহমান, উচ্চমান সহকারী মোক্তার হোসেন, প্রধান হিসাবরক্ষক ইকবাল হোসেন, প্রকৌশলী শাখার এম এ কুদ্দুছ, চালকদের পক্ষে গোলাম মাহবুব। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন প্রধান সহকারী মোঃ মিজানুর রহমান।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচনে আমরা নির্বাচিত সদস্য হিসেবে ছিলাম। এটাই আমাদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয়। এ পরিষদের নাম ছিল ও সবসময় থাকবে। আমরা গত পাঁচ বছরে জনগণকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা কতটা সফল হয়েছি তা সেবাভোগী জনগণই ভালো বলতে পারবে। গত ৫টি বছর আমাদের চেয়ারম্যান মহোদয় উজার করে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.