বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ

সাহেদ করিমকে এতদূর আসতে সহায়তা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
করোনা পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহায়তা প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
পিআইবির মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস শুরু থেকেই দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সাংবাদিকদের মাঝে কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান। অনুরূপভাবে সেটিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সংবাদপত্রের ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করলে সবাইকে তা দেয়া হয় না। বিচার বিবেচনা করেই হাতে গোনা কয়েকজনকে দেওয়া হয়। তারপরেও আজ পর্যন্ত কয়েক হাজার সংবাদপত্রের অনুমোদন হয়েছে, এটা সত্য। অনেকেই সংবাদপত্রকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। সেখানেও আপনাদের (সাংবাদিকদের) চিহ্নিত করে দেয়া দরকার, যাতে করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারি।
সাংবাদিকদের বেতনের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি যখন মফস্বলে যাই তখন সাংবাদিকদের অবস্থার যে দুরাবস্থাটা দেখি, সেই অভিজ্ঞতাও আমার আছে। একটা আইডি কার্ড সাংবাদিক ভাইদেরকে দিয়ে বলে, বেতন আজীবনই বাকি।
মন্ত্রী বলেন, কারা রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমকে এতদূর আসতে সহায়তা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন, এই সমস্ত ভুয়া লোক (সাহেদ) কীভাবে সরকারের সঙ্গে কাজ করে কিংবা ‘সরকার স্বীকৃতি’ দেয় তা আমরা খতিয়ে দেখছি। বিষয়টি খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজকে অনেকেরই মনেই প্রশ্ন আসছে এই সমস্ত ভুয়া লোক কিভাবে সরকারের সঙ্গে কাজ করে কিংবা সরকার স্বীকৃতি দেয়। সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি। যদিও, আপনাদের অনেকের মনেই সন্দেহ আছে, সেগুলো আমরা খুব সিরিয়াসলি নিয়েছি। কারা কারা এদের সঙ্গে জড়িত ছিল, কাদের সহযোগিতায় এই জায়গায় এসেছেন সবই আমরা তদন্ত করছি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যা যা করা দরকার তার সবগুলোই করেছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *