মহামারীতে ব্যবসার নতুন দিগন্ত

আলী হায়দার ::
দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা বিশ^ব্যাপী করোনা মহামারী অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশ তথা চাঁদপুরের ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়ে গেল বছরের মাঝামাঝি থেকে একটা বিপুল সংখ্যক চাকুরীজীবী চাকুরি হারিয়েছেন অথবা অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম বন্ধ কিংবা ন্যূনতম অবস্থায় চালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে কিন্তু একটা স্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে কতোদিন সময় লাগতে পারে তার কোন ধারণা এই মুহূর্তে বিশেষজ্ঞদের কাছে নেই। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নতুন করে বিনিয়োগে চিন্তা-ভাবনার বিস্তারতা বাড়িয়েছে।
লক্ষ্য করে দেখুন, এই মহামারী আমাদের একটা অর্থনৈতিক অংক একদম সিধেসাধাভাবে শিখিয়েছে– যে কোনও অর্থনৈতিক সংকট যে কোনও সময় ঘটতে পারে এবং যারা ব্যবসার সাথে জড়িত, তিনি যে ব্যবসাটি কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন তা’ যে কোন সময় বন্ধ করে দিতে হতে পারে।
তাহলে উপায় কী? এমন কী ব্যবসা করা যেতে পারে যেটা বর্তমান মহামারী কিংবা ভবিষ্যতেও অনরূপ পরিস্থিতিতে টিকে থাকবে?
আছে বেশ কিছু আইডিয়া যেগুলো বিশ^ব্যাপী ইতোমধ্যে সাড়া ফেলেছে। আসুন জেনে নেই কিছু বিস্তারিত এ বিষয়ে।
প্রথমেই আমি আলোচনা করবো যে, একটা ব্যবসা মহামারী সময়ে টিকে থাকতে বা এমনকি সাফল্যের জন্যে কী প্রয়োজন এবং এমন কী ব্যবসা রয়েছে যা’ আপনি মহামারী-সুরক্ষিত হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন।
মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা আসলে কী? মূলত: এটি এমন কিছু ব্যবসার ধারণা বা অস্তিত্ব যেটা মহামারীর ধাক্কা সহ্য করতে পারবে এবং বাজারে একটি শক্ত অবস্থানও তৈরি করতে পারে। সঠিক ব্যবসায়ের কৌশলের ব্যবহার, সৃজনশীলতা, বৈচিত্রময়তা এবং চাহিদা অনুযায়ী পণ্য এবং বিভিন্ন সেবার প্রবর্তন এবং গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগের জন্য ইন্টারনেটের ব্যবহার করে এটি অর্জন করা সম্ভব। এ ব্যবসাগুলোর রকম আর পরিচালনা পদ্ধতির কারণে শুধু সাধারণ সময় নয়, মহামারী সময়েও উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল।
এমন ব্যবসাগুলির ধারণা ও বাস্তবতা এই মহামারী সময়ে প্রচুর বাধার মুখে পড়া সত্ত্বেও এমন কিছু ব্যবসা রয়েছে যা যথারীতি সাফল্য অর্জন করছে এবং পরিচালনাও করে চলেছে নিয়মিত। কিছু কিছু ব্যবসার চাহিদা এখন তুলনামূলকভাবে আগের চাইতে বেশি। নিচে কিছু ব্যবসার ধারণা ও তার সমর্থনে কিছু বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হলো:
পেশাদার, প্রযুক্তিগত এবং লাইফস্টাইল পরিষেবাদি
আমাদের দেশে আউটসোর্সিং একটি জনপ্রিয় বিষয় হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় প্রযুক্তিগত সেবাগুলোতেই দেশের তরুণরা বেশি জড়িত। আইনি পরামর্শ, অ্যাকাউন্টিং বা হিসাবরক্ষণ পরিষেবা, বিল্ডিং নকশার পরামর্শ, অনুবাদ, বা লেখালেখির সেবার চাহিদাও এখন তুমুল বিশ^জুড়ে। মজার ব্যাপার হলো আপনি বিশ্বের যে কোনও জায়গায় এ সেবাগুলোর পরিচালনা এবং এ থেকে উপার্জন করতে পারেন।
ওয়েব ডেভলপমেন্ট, স্পোর্টস এবং ফিটনেস কোচিং, বীমা বিক্রয়, কর্মশালা এবং ওয়েবিনার, গ্রাফিক ডিজাইন এবং আরও অনেক ক্ষেত্রে সম্ভাবনা রয়েছে অফুরন্ত। এক্ষত্রে আপনি আপওয়ার্ক.কম (https://www.upwork.com) এ কিছুদিন সময় ব্যয় করে বর্তমান ট্রেণ্ডগুলো জানতে পারেন, কীসের সবচাইতে বেশি চাহিদা এবং কোন সেবায় ঘন্টা হিসেবে কতো ডলার মজুরি একটা স্ট্যানডার্ড হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। যতক্ষণ না আপনার কাছে কম্পিউটার এবং একটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে, আপনি যে কোনও জায়গা থেকে আপনার ব্যবসা চালাতে পারবেন, নতুন ক্লায়েন্টদের সাহায্য করতে পারবেন।
কেন এটি মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা হিসেবে বলা যায়:
* আউটসোর্সিং করার জন্য একটি স্বল্প ব্যয় জড়িত কারণ আপনি আপনার ইতোমধ্যে অর্জিত দক্ষতা পুঁজি করেই এ ব্যবসা করবেন।
* আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে আপনার মার্কেট প্রসার করার সুযোগ রয়েছে।
* করোনাকালীন সময়ে আউটসোর্সিংয়ে খুব ভালো আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
* আপনি এটি আপনার বাসা বা বিশ্বের যে কোনও জায়গা থেকে করতে পারেন।

খাদ্য এবং পানীয় সরবরাহ পরিষেবা
করোনাকালীন সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এটা বুঝতে পারি যে, যে কোন সময়ই পূর্ণ বা সীমিত লক-ডাউন ঘোষণা হতে পারে যেটা সাধারণ মানুষকে ঘরেই থাকবার পরামর্শ দেয়। ভবিষ্যতে এমন মহামারী ঘটার সম্ভাবনা নেহাত কম নয়। যে কোন লকডাউন পরিস্থিতিতে রেস্তোঁরাগুলি সীমিত অবস্থায় কাজ করে, বা উন্মুক্ত থাকে না। এতে করে বাসা-বাড়িতে খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের চাহিদা বাড়ছে।
অনলাইনে খাবার ও পানীয় অর্ডার করা মহামারী হওয়ার আগেও প্রচুর বাংলাদেশীদের অভ্যাসে ছিল, বিশেষ করে ঢাকায়। যখন মহামারী শুরু হয়, এর প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি বৃদ্ধি পায় এবং ভবিষ্যতে যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে, তখনও আমাদের প্রচুর খাদ্য ও পানীয় সরবরাহের সেবা নিয়মিত দরকার হয়ে উঠবে।
আপনি চাইলেই আপনার নিজের একটি ফুড ডেলিভারি ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন খুব সহজে। ইন্টারনেটে এখন খুব সহজেই সাবস্ক্রিপশন কিনে নিজের ডেলিভারি মোবাইল এপ্লিকেশন নিজেই বানানো যায় এবং এর জন্যে বিশেষ কোন কারিগরি দক্ষতার প্রয়োজন হয় না।
কেন এটি মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা হিসেবে তুলনা করা যায়:
* অনেক গ্রাহক আছেন যাদের খাবার কেনার বা রান্না করার সময় নেই। সেই সাথে যারা করোনার কারণে আইসোলেশনে রয়েছেন তাদেরও এ সুবিধার আওতায় আনা যায়।
* এটি একটি লাভজনক ব্যবসা কারণ খাদ্য এবং পানীয় একটি নিত্যদিনের প্রয়োজনীয়তা।
* বিক্রি শুরু করার জন্য কোনও রেস্তোঁরা, ক্যাফে, বা দোকান খোলার দরকার নেই।
* মহামারী ধরণের সঙ্কটকালীন সময়ে এমন একটি ব্যবসা সহজেই পরিচালনা করা যায়।

অনলাইন প্ল্যান্ট স্টোর
মহামারী সময়ে মানসিক প্রশান্তির জন্যে অনেকেই ছাদবাগান বা বারান্দায় বাগানের চর্চা করছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফল এবং সবজি চাষেরও ব্যাপক চর্চা দেখা যাচ্ছে, যা এই ভীতিজনক এবং চাপযুক্ত সময়ে খুব প্রয়োজন মানসিক চাপ লাঘবে।
উদ্ভিদ বিক্রি শুরু করার জন্য আপনার কোনও উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই। ছোট ছোট দৃষ্টিনন্দন সাজাবার উপযোগী গাছপালা দিয়ে শুরু করতে পারেন। ইন্টারনেটে অনেক তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় এ বিষয়ে। ইউটিউবেও আপনি প্লান্ট রক্ষণাবেক্ষণ ও বাজারজাতের ভিডিও দেখতে পারেন।

কেন এটি মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা হিসেবে বলা যায়:
* হাঁড়ি এবং মাটি কিনে আপনি সহজেই একটি উদ্ভিদ ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
* অনলাইনে বা আপনার নিজের বাড়ি থেকে বিক্রয় করুন।
* চাঁদপুরের আবহাওয়ায় গাছপালা জন্মানো সহজ করে তোলে।
* প্রতিষ্ঠানের কোন নিজস্ব গোডাউনের দরকার হয় না। আপনার প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদেরও এ কাজে সহায়তায় নিতে পারেন।

অনলাইন মুদি দোকান
অনলাইন মুদি দোকান বা বাজার পরিচালনায় সুবিধা এবং সাফল্য অনেকটাই নিশ্চিত। এর মূল কারণ এই যে, গ্রাহকের বাইরে যাওয়ার দরকার পড়ছে না। গ্রাহক কেবল অনলাইনে যেয়ে বিভিন্ন পণ্য বিভাগগুলি ব্রাউজ করতে পারেন, সেগুলিকে তার কার্টে যুক্ত করতে এবং চেক আউট করতে পারেন যেখান থেকে গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছাবার সব প্রস্তুতি শুরু হয়।
এটি সময়, শক্তি এবং অর্থ সাশ্রয় করে। এ কারণেই ঢাকাসহ সারা দেশে বেশ কিছু মুদি দোকানের মালিকরা এবং বাজার বিক্রেতারা তাদের পণ্যগুলি অনলাইনে বিক্রি শুরু করেছেন। চাঁদপুরে এখনো পূর্ণরূপে এমন কিছু একটা চালু না হলেও বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তা ইতোমধ্যে নিজ নিজ পরিসরে এ সেবা শুরু করেছেন যেটি নি:সন্দেহে একটি আধুনিক উদ্যোগ।
বেশ কিছু সুবিধার কারণে এটিকে মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা বলা যায়:
* আপনি গ্রাহকরা সবসময় কেনেন এমন প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি বিক্রি করতে পারবেন খুব সহজে।
* এমন একটি অনলাইন দোকান তৈরি করা খুব সহজ যা আপনি মহামারীর পরেও চালাতে পারেন।
* আপনি নিজে প্রোডাক্ট ডেলিভারি ব্যবসা শুরু করতে পারেন খুবই স্বল্প খরচে। আপনার পণ্য পরিবহনে কিংবা অন্য কোন কোম্পানীর পণ্য পরিবহন সেবাও গ্রহণ করতে পারেন গ্রাহকদের কাছে মালামাল পৌঁছাবার প্রয়োজনে।

অনলাইন বেকারি
অনেকেই ভালো কেক বানাতে পারেন। শখের বশে আপনি হয়তো বিভিন্ন পেস্ট্রি বা অন্যান্য বেকারি পণ্য বানিয়েছেন। করোনাকালীন সময়ে এটাও হতে পারে আপনার ব্যবসার একটা অংশ। শুধুমাত্র দরকার একটি পরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, ইন্টারনেটে একটা ফেসবুক পেজ অথবা ওয়েবসাইট, বা দুটোই এবং পণ্যটি গ্রাহকের দোরগোড়ায় পাঠাবার ব্যবস্থা।
এক্ষেত্রে বাজার চাহিদা যাচাই করার প্রয়োজন আছে এবং এর ওপর ভিত্তি করে পণ্য তালিকা এবং দাম নিধারণপরবর্তী ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন ভালো সাড়া তৈরি করতে পারে।
কেন এটি মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা:
* একটি অনলাইন স্টোর সেট আপ করা খুব সহজ।
* আপনি বাড়ি থেকেই এ ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।
* অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই আপনার পণ্যগুলির বিজ্ঞাপন এবং বিপণন করতে পারবেন।
* আপনি যেহেতু প্রয়োজনীয় খাদ্য আইটেম বিক্রয় করবেন, আপনার কাছে সব সময়ই গ্রাহক থাকবে।

অনলাইন খুচরা দোকান
ক্ষুদ্র ও ছোট খুচরা ব্যবসায়ীদের তাদের ব্যবসায়ের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অন্যান্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখা উচিত। একটি অনলাইন খুচরা স্টোর নিশ্চিত করবে যে সীমিত লকডাউনেও তার ব্যবসা চলমান থাকবে এবং দোকানের মালামাল বিক্রি অব্যাহত থাকবে।
অনলাইন খুচরা মালামালের দোকান থাকায় যে কোনও ব্র্যান্ডের অনলাইন উপস্থিতিও বাড়িয়ে তুলবে এবং আরও বেশি পরিমাণে গ্রাহকের কাছে পৌঁছাবে।
কেন এটি মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা হিসেবে তুলনা করা যায়:
* গ্রাহকরা পণ্যগুলো ব্রাউজ করতে পারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এবং যে কোন সময়ই অর্ডার দিতে পারবে।
* কোন দোকান ভাড়া বা লিজ দেওয়ার দরকার হয় না।
* যে কোনও জায়গা থেকে একটি অনলাইন খুচরা দোকান পরিচালনা করা যায়।

হার্ডওয়্যার এবং নির্মাণ সরবরাহ
মহামারীর সময়ে অনেকেই তাদের বসতবাড়ি বা অবকাঠামো পুনর্গঠন, পুনরায় সাজানো, বা সংস্কার করতে হাত দিয়েছেন।
লকডাউন ব্যবস্থার কারণে বেশিরভাগ ব্যবসা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেলেও, অধিকাংশ নির্মাণ কাজগুলি চলে, এমনকি সীমিত জনবল বা কাজের সময় সহ। এই কারণেই হার্ডওয়্যার সরবরাহ ও নির্মাণ ব্যবসা বিবেচনা করার মতো।
কেন এটি মহামারী-সুরক্ষিত ব্যবসা হিসেবে বলা যায়:
* আপনার এ ব্যবসা গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রয়োজন (যেমন বাড়ির পুনঃনির্মাণ, সংস্কার, মেরামত ইত্যাদি) পূরণ করতে পারে।
* আপনি ব্যবসাটি শুরু করতে দ্রুত চলমান আইটেমগুলিতে স্টক করতে পারেন।
* পণ্য বিক্রয় এবং তালিকা নিতে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যেতে পারে।
মহামারী সময়ে ব্যবসা গুছিয়ে তুলতে সময়ের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার গ্রাহকদের চাহিদা সমাধানের জন্য আপনাকে অবশ্যই দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে এবং নতুন উপায় শিখতে হবে।
বিক্রয় এবং বিপণন কৌশলগুলিতে সক্রিয় থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য নতুন উপায়গুলি চেষ্টা করুন, যেমন বাড়ি থেকে কাজ করা বা আপনার অনলাইন স্টোরকে শক্তিশালীকরণ বা অনলাইন উপস্থিতি। সবশেষ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ডিজিটাল মাধ্যমগুলোতে বিনিয়োগ করা যা আপনার ব্যবসাকে ডিজিটাল মিডিয়ায় সংযুক্ত করবে এবং আপনার ব্যবসার উপস্থিতি মানুষের হাতের মোবাইল ফোনে চলে আসবে।

লেখক পরিচিতি: উদ্যোক্তা, তথ্য-প্রযুক্তি প্রকৌশলী।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *