মুজিববর্ষ উপলক্ষে চাঁদপুরে ১ লাখ ৬২ হাজার গাছের চারা বিতরণ

চাঁদপুর প্রতিদিন ডেস্ক :
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বর্ষা মৌসুমের সময় চাঁদপুরে সকল উপজেলায় ১ লাখ ৬২ হাজার গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। চাঁদপুর বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত জেলা বন কর্মকর্তা মো.তাজুল ইসলাম ২৭ নভেম্বর শুক্রবার এ তথ্য জানান।
সারাদেশে মুজিববর্ষে ১ কোটি গাছের চারা বিতরণের অংশ হিসাবে চাঁদপুরে ১ লাখ ৬২ হাজার ৬শ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০ ভাগ হলো ফলদ ও ঔষধি। বাকিগুলো বনজ। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতে এবছর তেতুলের চারা দেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্যদের প্রত্যেককে বিশেষ করে ৫ হাজার গাছের চারা এবং তাদের নির্দেশমত যেসব প্রতিষ্ঠানকে দেয়ার কথা বলেছেন তাদেরকে স্ব স্ব উপজেলা ও জেলা বন বিভাগ এ চারা প্রধান করা হয়েছে।’
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চাঁদপুরের স্থানীয় পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা, মসজিদ, মন্দির, যুবলীগ ও অন্যান্য সংস্কৃতিক সংগঠন জেলার সকল স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উপজেলা পর্যায়ে প্রত্যেক উপজেলায় ২০ হাজার ৩২৫টি ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণের উদ্দেশ্যে বিতরণ করা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
অন্যান্য ফলের মধ্যে রয়েছে যা আম, পেয়ারা, লেবু, আতা, কদবেল ও মিষ্টি বেলের চারা রোপণের জন্যে চাঁদপুরে বিতরণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে ১ কোটি বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন প্রাঙ্গণে তেঁতুল,ছাতিয়ান ও চালতা প্রজাতির তিনটি চারা রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে মুজিববর্ষে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় দেশের ৪৯২ উপজেলার প্রতিটিতে ২০,৩২৫টি করে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ঔষধি ও ফলদ বৃক্ষের চারা বন বিভাগের মাধ্যমে বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলার সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটির সভার সিদ্ধান্তের আলোকে উপজেলা পরিবেশ ও বন উন্নয়ন কমিটি চারা বিতরণ বিষয়ে বিশদ পরিকল্পনা সহকারীদের তালিকা প্রণয়ন করেছে।
মুজিববর্ষে রোপণের জন্য উত্তোলিত ১ কোটি চারার মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ ফলদ এবং অবশিষ্ট ৫০ ভাগ বনজ,ঔষধি ও শোভা বর্ধণকারী প্রজাতির চারা। কোনো প্রকার বিদেশি প্রজাতির চারা এ কাজের জন্য উত্তোলিত করা হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *