মেঘনা-ধনাগোদা বেঁড়িবাঁধ টেকসই করতে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে : এমপি রুহুল

কামরুজ্জামান হারুন :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের সিপাইকান্দি-ঠেটালীয়া গ্রামের নদী ভাঙ্গন এলাকা রোধকল্পে টেন্ডারের মাধ্যমে ১৭৫ কেজির বালির জিও ব্যাগ সাড়ে ছয় হাজার বস্তা ও পাউবো’র নিজস্ব ৭৫ কেজির বালির জিও ব্যাগ ১৩ হাজার মোট প্রায় ২০ হাজার বালুর বস্তা জিও ব্যাগ নদীতে নিক্ষেপ ও গননার উদ্বোধন করেন- চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল।
এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হাবিব শাপলা, মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আকিকুর রহমান, নাউরী আহম্মাদীয়া উ”চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম তাজুল ইসলাম, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক সরকার মো. আলাউদ্দিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী,এসও জামাল হোসেন, এসও সালাউদ্দিন’ প্রমুখ।।
চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এড নুরুল আমিন রুহুল বলেন, বেড়ীবাঁধের ২০টি স্থান ঝুঁকিতে রয়েছে। সিপাইকান্দি-ঠেটালীয়া ও দক্ষিণ রামপুর বেড়ীবাঁধ রক্ষায় বালি ভর্র্তি জিও ডাম্পিং করা হয়। বাঁধের ঝুকিপূর্ণ স্থান গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতি বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও নদী ভাঙ্গণে বেড়িবাঁধের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হচ্ছে। এলাকার উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য বেড়িবাঁধকে টেকসই করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আগামীতে এলাকার বেড়িবাঁধ টেকসই করার যে মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে কোন মানুষ আর প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে আশ্রয়হীন হবে না। প্রতিটি মানুষ উন্নত জীবনযাপন করবে।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন বলেন, অরক্ষিত বেড়িবাঁধকে সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে সেচ প্রকল্পের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান মেরামত কাজ শুরু করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের আগেই ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধকে টেকসই রূপে গড়ে তুলবো। আপনাদের পানি মুক্ত করার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *