চাঁবিপ্রবিতে পিএস টু ভিসি পদে নিয়োগে স্থগিতাদেশ
চাঁদপুর প্রতিদিন ডেক্স :
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) পিএস টু ভিসি (সহকারী রেজিস্ট্রার) পদে নিয়োগ স্থগিত রাখার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও ফাতেমা আনোয়ারের যৌথ বেন্চ এ আদেশ দেয়।
এ তথ্য জানিয়ে রিটকারীর আইনজীবী সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১ সালে এই পদে প্রথম কর্মকর্তা হিসেবে মো. মেহেদী হাসান অ্যাডহক ভিত্তিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে ওই পদে স্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ওই বিজ্ঞপ্তিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য আবেদন করেন মেহেদী হাসান।
ওই আইনজীবী আরো বলেন, তবে ওই পদটিতে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন না করে টালবাহানা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ অবস্থায় মো. মেহেদী হাসান ২০২৪ সালে আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। আদালত রিটটি আমলে নিয়ে তখন রুল জারি করেন। কিন্তু ওই রুল নিষ্পত্তি না করেই পিএস টু ভিসি (সহকারী রেজিস্ট্রার) পদে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, পরবর্তীতে ওই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্চ করে এবং উক্ত পদে নিয়োগ স্থগিত রাখার জন্য আমরা মহামান্য হাইকোর্টে একটি আবেদন করি। আদালত আমাদের বক্তব্য শুনে পদটিতে নিয়োগ স্থগিত রাখার আদেশ দেন। আর ঐ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী উক্ত পদে রুল নিষ্পত্তির পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন না।
এ বিষয়ে চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহম্মেদ বলেন, এমন একটা আদেশের বিষয়ে শুনেছি, তবে কোর্টের কোন কাগজ আমরা এখনো পাইনি। তিনি বলেন, কারও প্রতি আমাদের পক্ষপাতমূলক অবস্থান নেই। চাকরি প্রার্থী কারো প্রাপ্তিতা বঞ্চিত করার জন্য কোনো পদক্ষেপ নেব না, আবার কাউকে সহায়তা করার জন্যও এগিয়ে যাব না। ভিসি বলেন, আমরা আদালতকে সম্মান করি। আদালতের কাগজপত্র পেলে আদালত যেভাবে আদেশ দিয়েছেন আমরা সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব।
এদিকে রিট আবেদনকারী মেহেদী হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাকে বঞ্চিত করার জন্য পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ওই কর্তৃপক্ষের এ আচরণ আমলে নিয়ে আদালত বিষয়টিতে স্থগিতাদেশ প্রদান করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে আমি ন্যায্য অধিকার ফিরে পাব বলে আশা করছি।










