হাজীগঞ্জে দোকান ঘরে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা,থানায় অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক,,
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০ নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড হোটুনি ছন বাড়ীর মৃত ছেলামত উল্ল্যাহর ছেলে হারুন আর রশিদ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দোকান ঘরে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে পৈতৃক সম্পত্তি দখলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার ৯ নং গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মালিগাঁওয়ে মেহের আলী হাজী বাড়ীর মৃত লাল মিয়ার ছেলে আবুল খায়ের থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,উপজেলার ১০ নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হোটুনি ছন বাড়ীর মৃত ছেলামত উল্ল্যাহর ছেলে টিন হারুন ৩০ মার্চ সোমবার দুপুরের দিকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সাথে নিয়া দলেবলে বে-আইনী ভাবে দেশীয় অস্র ও লাঠিসোটা নিয়া বৃদ্ধ আবুল খায়েরের দোকানে হামলা চালায়। দোকানের আসবাবপত্র ভাংচুর সহ বিভিন্ন মালামাল নষ্ট করে প্রায় এক লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। খবর পেয়ে বৃদ্ধ আবুল খায়ের বাড়ী থেকে নিজ দোকানের ভাংচুর চিত্র দেখে হতভাগ হয়ে পড়ে। পরে প্রতিপক্ষ বিবাদী টিন হারুনকে এ ঘটনার কারন জানতে চাইলে তার উপর তেড়ে আসেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতা বৃদ্ধ আবুল খায়ের সেখান থেকে সরিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বৃদ্ধ আবুল খায়ের বলেন,আমার ভাইদের ওয়ারীশের সম্পত্তির বিষয়ে বিবাদ সহ বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। কিন্তু সেই সৃত্রকে কেন্দ্র করে তারা আমার দোকানে হামলা চালিয়ে দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে । আমি বাধা দিলে আমাকে হত্যার হুমকি প্রদান করে। সেই সময় আমি তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করিলে টিন হারুন আমাকে গালমন্দ করে মারধরের চেষ্টা করে। উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় রক্ষা পাইলেও গালমন্দ অব্যাহত রেখে নানান হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করিলে আমি মামলা করতে বাধ্য হয়েছি। এখন মামলা করার পরেও আমার পরিবারসহ সকলকে প্রানে মারিয়া লাশ গুম করার ভয়ভীতি প্রদান করে আসছে টিন হারুন। আমি প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা করছি।
এদিকে অভিযুক্ত টিন হারুন বলেন,মালিগাঁও ১২৮ নং গন্ধর্ব্যপুর মৌজার ২০২৬-১০০৩৬ খতিয়ানভুক্ত ৫৯৮ দাগের ৯ শতক ২৫ পয়েন্ট জমি আবুল খায়ের ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় করি দখলে আছি। আবুল খায়েরের ছেলে ইমাম হোসেন ও জাকির হোসেন আমার দোকানের টিন খুলে নিয়েছে এবং তালা ভেঙে দোকানের জিনিসপত্র নিয়ে গেছে।” তিনি আরও বলেন, “আমি তাদের ডাকলে তারা আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে এবং বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে।”
হাজীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল জাব্বার জানান,“অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চেষ্টা করবো বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার।”










