আধুনিক, মডেল ইউনিয়ন গড়তে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান লিটন

শাখাওয়াত হোসেন শামীম :
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার ২ নং বাকিলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী নব্বই এর পরবর্তী অসহযোগ আন্দোলন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসন, দুর্নীতি ও অপরাজনীতির বিরোধী, ১/১১’র শেখ হাসিনা মুক্তি আন্দোলনসহ গণতান্ত্রিক সকল আন্দোলনের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজপথ কাঁপানো সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান লিটন।

সকল নাগরিকের সম অধিকার ও সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার লক্ষে ও একটি আধুনিক, মডেল ইউনিয়ন গড়তে এবং নিপীড়িত, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যানে নিজকে নিয়োজিত রাখতে নৌকার মননোয়ন প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান লিটন।

সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান লিটন ১ জানুয়ারি ১৯৭৭ সালে ২ নং বাকিলা ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তারা বাবা মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, মাতা মাহমুদা বেগম।

তিনি ১৯৯১ থেকে ২ নং বাকিলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সদস্য পদ দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন, তারপর ১৯৯২ সদস্য শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখা, ১৯৯২-২০০০ পর্যন্ত সহঃ সম্পাদক হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ, ২০০৩ সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ২ নং বাকিলা ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী যুবলীগ, ২০১২-২০১৯ পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক ২ নং বাকিলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এর দায়িত্ব পালন করছেন।

সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান লিটন বলেন, যতোদিন বেঁচি থাকবো মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তী, মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য,মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপির দিকে নির্দেশনায় ২ নং বাকিলা ইউনিয়নের উন্নয়ণে নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রাখবো।

তিনি বলেন, জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪০ বাস্তবায়ন এবং গ্রাম হবে শহর এরই আলোকে আগামীতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নতুনদের সুযোগ সৃষ্টি করার কথা হয়েছে। নতুনরা যদি নৌকার মনোনয়ন পায় তাহলে দল গতিশীল হবে, ইউনিয়ন পর্যায়ে উন্নয়ণের ছোয়া লাগবে। নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি গ্রাম হবে, শহর এ গ্রামকে শহর করতে হলে নবীনদের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমার পরিবারের সদস্যবৃন্দ আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে।

তিনি বলেন, শতাব্দীর মহানায়ক বাংলার রূপকার, বাংলাদেশের স্থপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের সভাপতি দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বাসী হয়ে ১৯৯১খ্রি. সাল প্রথম ছাত্রলীগের দায়িত্ব পাই। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত আছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশে অনুপ্রাণিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম, মহোদয়ের ১৯৯৬এর সংসদ নির্বাচন, ২০০১ এর সংসদ নির্বাচন, ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মার্কা নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করি। বহুবার রাজনৈতিক হয়রানী মূলক মিথ্যা মামলার আসামী হই। স্বৈরাচার এরশাদ ও স্বৈরাচারিনী খালেদা জিয়ার সন্ত্রাসী পেটোয়া বাহিনী কর্তৃক আক্রমন এবং হত্যার চেষ্টার শিকার হই। ১৯৯৩ সনের হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২নং বাকিলা ইউনিয়ন কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী ফাঁসির সাজা প্রাপ্ত রাজাকারকে কেন্দ্রীয় জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার আগমন ও জনসভা প্রতিহত করি ও সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে নেতৃত্ব দেই।

তিনি জানান, ১৯৯৬ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় মামলা-হামলা, হুলিয়া ও নির্যাতনের স্বীকার উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতবৃন্দকে আমার বাড়ীতে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করি। তৎকালীন সময়ে আমি প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা জননেতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আবদুর রব এমপি, (সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগ) ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সমর্থকদের সাহায্য সহযোগিতা আদর্শ সাহসে জননেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা ঘােষিত সকল আন্দোলন, সংগ্রাম, হরতাল, মিছিল, মিটিং, সভা, সমাবেশ, গণসংযোগ বাস্তবায়নে উপজেলার প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে, মাঠে ময়দানে পায়ে হেঁটে ছাত্র, জনতা, পেশাজীবি কর্মজীবিকে ঐক্যবদ্ধ করে আওয়ামীলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগের কর্মী সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ করে সকল ভয়-ভীতি, জেল জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করে স্বৈরাচার এরশাদ ও স্বৈরাচারিনী খালেদা জিয়ার অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং তাদেরকে অবৈধ ক্ষমতা থেকে হটানোর লক্ষ্যে কাজ করেছি। ঐ সময় প্রাপ্ত বয়স্কদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটার হওয়ার জন্য উৎসাহিত করি, আন্দোলন সংগ্রাম, ভোটের সময় পোস্টার, ব্যানার টানানো, মাইকিং (প্রচার), দেওয়াল লিখন, ভোটকেন্দ্রের কর্মী, এজেন্ট ঠিক করে ভোট শেষে রেজাল্ট শীট গ্রহণ, স্বাধীনতা বিরোধী বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা, স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে সংগঠনের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে জয়লাভ করার লক্ষ্য নিয়ে নেত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পালন করাই ছিল হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মীদের আদর্শ ও উদ্দেশ্য।

আমি ১৯৯৮ এবং ২০০৪ সালের ভয়াবহ দূর্যোগ ও বন্যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ও মাননীয় সাংসদ মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম মহোদয়ের সহযোগিতায় ব্যক্তিগত ত্রাণ বিতরণ করি ও সরকারি ত্রাণ বিতরণে অংশগ্রহণ করি।

তিনি জানান, মাননীয় এমপি স্যারের নেতৃত্বে আমি এই ইউনিয়নের জনগণকে সাথে নিয়ে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছি । ২০২০ করোনাকালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার একটি মানুষও যাতে অভুক্ত না থাকে, সে নির্দেশ বাস্তবায়নের লক্ষে মাননীয় সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম মহোদয়ের পরামর্শক্রমে সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ, মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এবং সচেতনতা মূলক কার্যক্রম নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অংশগ্রহণ করি।

হাবিবুর রহমান লিটন করোনাকালীন সময়ে বিশেষ অবদান রাখায় বিডি সমাচার ২৪ ডটকমের তৃতীয় বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে নৌকার মননোয়ন প্রত্যাশী হাবিবুর রহমান লিটন সম্মামনা স্মারক পান।
আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেলে নৌকা প্রতীকের মাঝি হয়ে ওই পদে লড়তে চান তিনি। এরই মধ্যে দিন-রাত ইউনিয়নের প্রতিটি ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নির্বাচনি প্রচারণাও চালাচ্ছেন তিনি।
এ ছাড়া ২ বাকিলা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে হাবিবুর রহমান লিটন দীর্ঘদিন ধরে গরিব-দুঃখী মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপির দিক নির্দেশনায়। কাজেই সাধারণ জনগণ চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নে তার মতো একজন সৎ, যোগ্য, ত্যাগী, গ্রহণযোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত ব্যক্তিকেই চেয়ারম্যান হিসাবে দেখত চায়।
২ নং বাকিলা ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশে হাবিবুর রহমান লিটন আরো জানান, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আমি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে অংশীদার হতে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত ২ নং বাকিলা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরের চেষ্টা চালিয়ে যাব। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রামের ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচিত হলে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ২ নং বাকিলা ইউনিয়ন উপহার দেব এলাকাবাসীকে।
আমি এলাকার জনগণের সুখে দুঃখের সাথী হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী।
উন্নয়নই আমার মূল লক্ষ্য। আমি নির্বাচিত হলে অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের কল্যাণে কাজ করব। দুর্নীতি, মাদক, সন্ত্রাসসহ সব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে ইউনিয়নের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলব।’
তিনি বলেন, ২ বাকিলা ইউনিয়নে আমি দীর্ঘ ধরে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আমি খুবই আশাবাদী। তারই আলোকে এলাকার বিভিন্ন বাড়ীতে বাড়ীতে গণসংযোগ করে আসছি। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চাইব-ইনশাআল্লাহ দল আমার কর্মকাণ্ড দেখে অবশ্যই আমাকে নৌকার মনোনয়নপত্র প্রদান করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *