জেসমিন সুলতানা

জেসমিন সুলতানা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের একজন নিয়মিত আইনজীবী।আইন পেশার পাশাপাশি একজন লেখক এবং সফল সংগঠক। জেসমিন সুলতানা, জন্ম চাঁদপুর জেলার, মতলব উত্তর থানাধীন মান্দারতলীর সম্ভ্রান্ত মীর পরিবারে। বাবা মীর মোহাম্মদ সোলায়মান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন যোদ্ধা। পরবর্তীতে কাস্টম অফিসার হিসেবে কর্মরত থেকে মৃত্যুবরণ করেন। মা সুলতানা রাজিয়া একজন গৃহিনী। তার তিন ভাই বড় ভাই সৈয়দ মহিউদ্দীন আহমেদ ১৯৭১ মতলব থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন, দ্বিতীয় ভাই ডাক্তার মীর আব্দুল্লাহ সরাসরি মুক্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে তৃতীয় ভাই মীর সাইফুল্লাহ আল খালিদ ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। পড়াশুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলা সাহিত্যে অনার্স সহ মাস্টার্স করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এল,এল, বি ডিগ্রী শেষ করে ১৯৯৪ সনে কক্সবাজার জজ কোর্টে আইনজীবী যোগদান করেন। ১৯৯৬ সনে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কক্সবাজার জেলার যুগ্ম সম্পাদক হন। ১৯৯৬ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে এবং ২০১৫ সনে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের সদস্য হন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সুপ্রীম কোর্ট শাখার সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সনে সুপ্রীম কোর্ট বারে ট্রেজারার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পরবর্তীতে মহিলা আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন উপকমিটিতে সদস্য পদে, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্মেলন প্রস্তুতি কেন্দ্রিয় কমিটিতে সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ পেশার পাশাপাশি মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মানবাধিকার সংগঠন সাউথ এশিয়ান লইয়ারস ফোরামের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)। লেখালেখি তার শখ। আইন বিষয়ক, নারীর অধিকার, ভ্রমণ বিষয়ক বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশ হয়েছে চাঁদপুর প্রতিদিনে। ব্যক্তিগত জীবনে দু’ কন্যা সন্তানের জননী। তার বড় কন্যা প্রমা তাপসী খাঁন এসিসিএ বাংলাদেশ কান্ট্রি এডুকেশন ম্যানেজার, যিনি আমাদের দেশের শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। ছোট মেয়ে ব্যারিস্টার প্রজ্ঞা তাপসী খান মায়ের সাথে আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন। স্বামী আ. ন. ম. গোলাম জিলানী একজন আইনজীবী। জেসমিন সুলতানাকে দৈনিক চাঁদপুর প্রতিদিনের এক দশক পূর্তি উপলক্ষে পত্রিকার লেখক সুহৃদ হিসেবে সম্মাননা জানাচ্ছে পত্রিকা পরিবার।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *