নতুন বছরে সঠিক সময়েই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভুল-ভ্রান্তি শুধরে নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। তিনি বলেন, নতুন বছরে সঠিক সময়েই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে। করোনাকালে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, বইয়ে যেন ভুল-ভ্রান্তি না থাকে। এরপরেও কোথাও যদি কোনও অনিচ্ছাকৃত ভুল থেকে যায়, অবশ্যই তা সংশোধন করা হবে।
শনিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরতলীর বাবুরহাট এলাকায় সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, পাঠ্যবইয়ের কিছু ভুল নিয়ে অতিসম্প্রতি একটি মামলা হয়েছে। যিনি মামলা করেছেন তিনি একগুচ্ছ শব্দের কথা বলেছেন, তবে যেটা ব্যবহার করা হয়েছে সেটাও যে খুব ভুল তা নয়। তারপরেও সংশোধনের সুযোগ থাকলে সেগুলো সংশোধন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের বিষয়ে বিএনপির একটি নেতিবাচক ভূমিকা থাকে। দ্বিচারিতা তাদের চরিত্রের অংশ। বিএনপি সবসময়ই মুখে এক কথা বলে আর কাজে অন্যকিছু করে। এটি নতুন কিছু নয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে একটি নির্বাচন কমিশন আছে এবং সেটি স্বাধীন। এ কমিশনের অধীনে যেভাবে নির্বাচন হওয়ার কথা ঠিক সেভাবেই অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি ইতিহাস বিকৃতি ও মানুষ হত্যাসহ যত ধরনের অপকর্ম আছে তার সবকিছুতেই জড়িত থাকে। তারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করে এবং সেটা অপরাজনীতি। এজন্যই নির্বাচনের বিষয়ে সবসময় তাদের একটি নেতিবাচক ভূমিকা থাকে। তারা একদিকে বলছে নির্বাচনে অংশ নেবে না, অন্যদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের কেউ না কেউ অংশ নিচ্ছে।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আগে নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হতো না। তখন অনেক প্রার্থী থাকতেন। এখন দলীয় প্রতীক হওয়ার পরে দলের ভেতর থেকে বিদ্রোহী যাতে না হয় সেজন্য সাংগঠনিকভাবে নানান শৃঙ্খলার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপরও কোথাও কোথাও হয়তো দলীয় পদ নেই। কিন্তু সমর্থক আছেন অথবা দলীয় পদে আছেন এমন বিদ্রোহী প্রার্থী থাকে। আমরা সাংগঠনিকভাবে সেগুলোর ব্যবস্থা করছি। দু-একটি জায়গায় হয়তো বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। তবে আমি মনে করি না এটি ব্যাপকভাবে রাজনীতিতে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলবে। তবে আমরা বিষয়টিকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তভাবে দেখার চেষ্টা করছি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ, স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার সৈয়দ বদরুন নাহার চৌধুরী, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ ও ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটোয়ারী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল কালাম রুশদি ও মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ বরকন্দাজ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ইউনুস হোসেন বিশ্বাস।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *