মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারী

মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সিনিয়র সচিব। তিনি ১৯৬২ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সকদি রামপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা বদিউজ্জামান পাটওয়ারী ও মাতা আশরাফুন নেছা। তিনি চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।
জনাব মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারী প্রশাসন ক্যাডারের সপ্তম সপ্তম ব্যাচের (১৯৮৫) একজন কর্মকর্তা। তিনি ১৯৮৮ সালে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে চাকরিতে যোগদান করে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
চাকরি জীবনে সহকারী কমিশনার, উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব, টাংগাইলের জেলা প্রশাসক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব, ২০১৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক, ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সবশেষ সচিব মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারী পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়র সচিব হন।
চাকরি জীবনে মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে ভূমি মন্ত্রণালয়ে থাকাকালে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশ ও ভূমিসেবা সহজীকরণ, ই-নামজারী, ভূমিখাতে দুর্নীতিরো প্রতিরোধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখেন।
চাঁদপুর প্রতিদিনের তিনি নিয়মিত একজন পাঠক। এ যাবৎ তার একাধিক লেখা চাঁদপুর প্রতিদিনে প্রকাশিত হয়েছে। যা পাঠক মহলে সমাদ্রিত হয়। তার লেখার জন্য চাঁদপুর প্রতিদিন পরিবার এবার তাকে সম্মাননা প্রদান করছে।
তিনি তার অভিব্যক্তিতে বলেন, সংবাদপত্র রাষ্ট্র দর্পণের আয়না। সাংবাদিকরা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন। সেই ভূমিকার কিছু অংশ পালন করে যাচ্ছে একটি মফস্বল শহরে। পত্রিকার সাথে আমার সম্পর্ক লেখা এবং পড়ার মধ্য দিয়ে। পত্রিকাটি আরও পাঠকপ্রিয় হবে, আরও কলেবরে বের হবে, দেশ ও মানুষের কথা বলবে- এটিই প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.