লোহাগড়ের মঠ

মোঃ মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী

প্রাক্তণ সিনিয়র সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুুপ্রাচীন চান্দ্রা বাজার। ডাকাতিয়া নদীর তীরবর্তী এই সমৃদ্ধ জনপদ। এই চান্দ্রা বাজার এবং নিকটস্থ বেশ কয়েকটি এলাকা হতে দেখা যায় প্রাচীন পুরাকীর্তি লোহাগড়ের মঠ। ডাকাতিয়ার পাদদেশে অবস্থিত মঠটির অপূর্ব নির্মাণ শৈলী পর্যটকদের কাছে দুর্বার আকর্ষণীয় এবং রহস্যঘেরা স্থাপনা। গতকাল বন্ধুদের সঙ্গে সদলবলে বিকালে উপস্থিত। লোকে লোকারণ্য। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। তাই তাড়াহুড়া করে বহুবার দেখা লোহাগড়ের মঠ পুনরায় দেখে কিছুটা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে চান্দ্রা বাজারে প্রত্যাবর্তন।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ছোট একটা সাইন বোডে কিছু তথ্য দিয়ে ভ্রমণ পিপাসুদের কিছু চিন্তার খোরাক দিয়েছে। তবে, নিকটেই আমাদের প্রিয় জন্মভূমি সকদি রামপুর গ্রাম। আমাদের বাড়ি হতে সোজা দক্ষিণে গগনচুম্বী মঠটি সহজই চোখে পড়ে। ফলে একে ঘিরে লোকমুখে প্রচলিত জনশ্রুতি, উপাখ্যান, কিংবদন্তী বা দাদা-দাদীদেরদের মুখনিঃসৃত ঘুম পাড়ানি ভীতিকর গল্প এখনো বিশ্বাসযোগ্য এবং চলমান। এ সবের উপর ভিত্তি করেই আজকের উপস্থাপনা।
লোকমুখে প্রচলিত যে, ত্রয়োদশ শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর কোন এক সময়ে মঠটি নির্মিত। এর নিপুণ, নিখুঁত, সুক্ষ্ম কারুকার্য, স্থাপত্য শৈলীর শৈল্পিক অবয়ব সাধারণ মানুষের কাছে এক অপার বিস্ময়! দেশের এতো উন্নয়নের মাঝেও গ্রামটিকে অজপাড়াগাঁ হিসেবে অনেকে চিহ্নিত করেন। সেই অখ্যাত গ্রামে ডাকাতিয়া নদীর কোল ঘেঁষে এখনো অপূর্ব নির্মাণ শৈলীর কারণে এর বারতা ঘোষণা করছে।
পাশাপাশি নির্মিত ছোট, মাঝারি এবং বড় আকৃতির তিনটি মঠ নিয়ে এদের অবস্থান। পোড়ামাটির সরু ইট এবং সুরকি দিয়ে এগুলি নির্মিত। নির্মাণকাল সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। কিন্তু এতো শত বছর পরেও কেবল ইট সুরকি দিয়ে তৈরি মঠগুলি এখনো কিভাবে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে তা-ই মানুষের কাছে অপার বিস্ময়। আধুনিক কালে দেশে-বিদেশে উচ্চ শিক্ষাপ্রাপ্ত কৃতবিদ্য প্রকৌশলীগণের হাতে নির্মিত, মহা মজবুত স্টেনলেস স্টিল দিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করে নির্মিত সুরম্য অট্টালিকা/দালানকোঠা বিশ-ত্রিশ বছর পরেই বসবাস অনুপযোগী, মেরামতের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় অথবা পুননির্মাণ করতে হচ্ছে। অথচ একান্তভাবে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে লোহা-লক্কড় ছাড়া এই মঠ এখনো কিভাবে মজবুত অবস্থায় রয়েছে-সকল পর্যটকের এসব প্রশ্নের জবাব কে দিবে?
কোন মঠের সঠিক উচ্চতা জানা যায় নি। তিনটির প্রতিটির বাহিরের অবয়ব, নকশা, স্থাপত্য শৈলী, নির্মাণ কৌশল আলাদা। তিনটির মধ্যে বড়টির বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং অবকাঠামো অপেক্ষাকৃত মজবুত এবং সুদৃশ্য। বড়টির একতলার অধিকাংশ মাটির নীচে ডেবে গেছে। উপরের চারতলা দৃশ্যমান। প্রতিটি মঠের তিনটি করে আবদ্ধ দরজার মতো দেখা যায়। বড়টির তৃতীয় তলা কারুকার্যে শোভিত। অন্যান্য তলার বাহ্যিক সৌন্দর্য একই রকম। চতুর্থ তলা হতে সচরাচর দৃশ্যমান মঠের মতো ক্রমশ সরু হয়ে গেছে উপরে। চতুর্থ তলার উপরে মাথার টোপরের ন্যায় দুই কোণে দুইটি ছোট শৃঙ্গ। তবে, অন্য দু’টিতে এমন বৈশিষ্ট্য নেই।
দ্বিতীয়টির দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলা দৃশ্যমান। নীচতলা অনেকটাই ডেবে গেছে। দ্বিতীয় তলার একটি অংশ ভেঙে গেছে। ফলে কোন কোন পর্যটক কসরত করে ভিতরে যায়, ছবি তোলে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয়টি অতো মজবুত করে নির্মিত হয়নি। ফলে অসংখ্য ছিদ্র দেখা যায়। আর টিয়া পাখি, বালিহাঁস ইত্যাদির অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে।
তৃতীয়টির দুই তলা পর্যন্ত দৃশ্যমান। নীচতলার একদিকে ভেঙে গেছে। ফলে সহজে এর ভিতরে দর্শকগণ ঢুকে পড়ে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয়টির বয়োবৃদ্ধ কাল চলছে। অনেক গাছ জন্মেছে, শিকড় প্রায় নীচে চলে এসেছে।
একবিংশ শতাব্দীর এই প্রান্তে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার প্রবাহমান। কিন্তু লোহাগড়া গ্রাম এখনো সেভাবে বিকশিত হয়নি। বারবার ভ্রমণ পিপাসুদের প্রশ্ন- নির্মাতাদের মন কতো বড় ছিল, তাঁরা কতো অর্থশালী, ধনশালী, বিত্তশালী ছিলেন। কিভাবে, অশিক্ষা-কুশিক্ষার যুগে কোথা হতে তাঁরা এতো নিপুণ কারিগর পেলেন, কতো টাকা ব্যয় হয়েছে?
এর ব্যাখ্যা অবশ্যই আছে। অভাবের প্রকারভেদ রয়েছে। নিত্য-প্রয়োজনীয় অভাবী মানুষ জীবনের ঘানি টানতে টানতেই ইহলীলা সাঙ্গ করেন। মধ্যবিত্ত লোকও সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সামর্থ অনুযায়ী কিছু কাজ করেন। আর উচ্চ বিত্ত লোকের চিন্তা-চেতনাই ব্যতিক্রম ধর্মী। কবি বলেন –
“মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে
মানবের মাঝে আমি বাঁচি বারে চাই। ”
নিজেকে অমরত্ব দান, নিজের কীর্তিকে স্থায়ী রূপদান, শৌর্য-বীর্য প্রদর্শন ইত্যাদি ইত্যাদি কারনে অনেকেই অনেক কিছুই করেন। বাদশাহ বাবর নিজ সাম্রাজ্য অক্ষুন্ন রাখা, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের তাড়নায় নিজেই অস্থির ছিলেন। কিন্তু আকবর, জাহাঙ্গীর বা শাহজাহানের রাজত্ব কাল ছিল কুসুমাস্তীর্ণ। অন্যদিকে ধনে-জনে-মানে ছিলেন ভরপুর অবস্থায়। ফলে তাজমহল বা অন্যান্য ঐতিহাসিক নিদর্শন স্হাপন করা সম্ভব হয়েছে। ঠিক তেমনি লোহাগড়ের মঠের নির্মাতাদের অগাধ ক্ষমতা, প্রভাব-প্রতিপত্তি, শৌর্য-বীর্য, ধনসম্পদ থাকায় সেই যুগে এতো বড় স্হাপনা নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছে।
লোহাগড়ের মঠের নির্মাতা ছিলেন ঐ এলাকার জমিদারগণ। সঠিক তথ্য এবং উৎস না থাকায় জনশ্রুতি রয়েছে যে, লোহা ও গহড় নামে দুই ভাই ঐ সময়ের অত্যন্ত প্রতাপশালী জমিদার ছিলেন। তাঁরাই এই কারুকার্য, সুশোভিত, মনোমুগ্ধকর, নিপুণ শিল্প হিসাবে মঠগুলি নির্মাণ করেন। তবে, দুই ভাই প্রভাবশালী হলে তিনটি মঠ কেন, কে কোনটা নির্মাণ করেন, কার প্রভাব বেশি ছিল, তাঁরা নিজেরা না তাঁদের উত্তরাধিকারী কেহ নির্মাণ করেন, তাঁদের মাকে নাকি খুব শ্রদ্ধা করতেন। তাহলে মা-র নামে আদৌ কোন স্মৃতি চিহ্ন আছে কি না, অথবা মায়ের নামেই বড়টি কিনা এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া দুষ্কর।
তাহলে জনশ্রুতি কি বলছে একটু শুনি। কথিত আছে যে, লোহাগড়ের জমিদারগণ ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠুর, অত্যাচারী, দুধর্ষ প্রকৃতির এবং খামখেয়ালী পূর্ণ। অর্থ,বিত্ত এবং চিত্ত ছিল তা নিঃসন্দেহে বলা যায়;
১) তাঁরা সমসাময়িক কালের থেকে অনেক দূরদর্শী ছিলেন। নিজেদের অমরত্ব দান এবং যুগযুগ ধরে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে নিজেদের ধরে রাখার জন্য এই অসাধ্য সাধন করেন ;
২) ঐ যুগে শিল্প কারখানার কথা চিন্তা করাও বাতুলতা মাত্র। মান্ধাতার আমলের কৃষিই ছিল সকল আয়ের উৎস। কিছু ব্যবসা-বানিজ্য নিশ্চয়ই ছিল। তাই অত্যাচার-নির্যাতন করেই তাঁরা অনেক ধন-সম্পদের মালিক হয়েছেন। সেই ধন-দৌলত দিয়েই তাঁরা মঠ বানিয়েছেন ;
৩) সৌখিন এবং খামখেয়ালিপূর্ণ ছিল তাঁদের জীবন-ধর্ম। অত্যাচার, নির্যাতনের ভয়ে সাধারণ মানুষ ধারে কাছেও ঘেঁষতো না। কিন্তু কখনো অনন্যোপায় হয়ে কাছের নদী দিয়ে নৌকা করে লোকজন যাতায়াত করতো। ঐ নৌকা তীরে ভিড়াতে তাঁরা বাধ্য করতো, অহেতুক অত্যাচার করতো। কোন গর্ভবতী নারী যাত্রী হলে তারা পৈশাচিক খেলা খেলতো। একজন বলতেন- গর্ভবতীর মহিলার পুত্র হবে। অন্যজন বলতেন – না, কন্যা হবে। কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ- তাতে কী? নির্দেশ দিত পাইক পেয়াদাদের। নিষ্পাপ, নিরিহ জীবন্ত মানুষটির পেট কেটে-কুটে তাদের নিষ্ঠুরতার প্রমাণ নিত। এভাবে অনেকের প্রাণ অকালে ঝরে যেতো;
৪) নিজেরা পিশাচ হলেও মাকে নাকি শ্রদ্ধা করতো। মায়ের জন্য বিশেষ ধরনের পুস্করিণী তৈরি করা হয়েছিল। চারদিক থেকে দুধ সংগ্রহ করা হতো। ঐ দুধে তিনি গোসল করতেন ;
৫) কোন এক সময়ে মঠের গল্প শুনে এক শ্রেতাঙ্গ মঠ দেখতে গিয়ে তার আক্কেল গুড়ুম অবস্থা। রাস্তা-ঘাট নাই, বন-জঙ্গলে মঠ চেয়ে গেছে। সেই ভৎসনা তিনি করেন । এটা জমিদারদের ইগো-তে লেগেছে। তাঁরা নিজের আবাসস্থল হতে মঠ পর্যন্ত মূল্যবান ধাতব পদার্থ দিয়ে একটা সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করেন। এটা একই সঙ্গে নিজেদের নিরাপত্তা, ধন-রত্নের হেফাজত, অস্ত্রের গোপনীয়তা রক্ষা , অভিনবত্ব প্রকাশের জন্য তৈরি করে ;
৬) তাঁদের অত্যাচার নির্যাতন এমন মাত্রায় পৌঁছেছিল যে, বলা হতো তাঁদেরকে ভূত-পেরত পর্যন্ত ভয় পেতো ;
৭) নিজেদের খ্যাতি-জৌলুস প্রকাশ ও প্রদর্শনের জন্য অত্যন্ত দামী হিরা-জহরতের তৈরি বিশাল আকৃতির একটি কুলা বড় মঠের শৃঙ্গে অত্যন্ত মজবুত করে স্হাপন করা হয়েছিল। তাঁদের অত্যাচার এবং পরবর্তীতে শ্বাপদসংকুল এলাকায় পরিনত হওয়ায় দুঃসাহসিক বীরও চুরি-ডাকাতি করে স্বর্ণের কুলা নিতে সাহস পেতো না। কিন্তু ভাগ্যে থাকলে ঠেকায় কে? অনেক অনেক দিন পরে এক জেলে নিকটে নদীতে মাছ ধরতে যায়। আর সাত রাজার ধন জালে উঠে যায়। অশিক্ষিত হলেও সে ছিল চিকন বুদ্ধির লোক । স্ত্রী-পরিবার পরিজনসহ সে এ এলাকা ত্যাগ করে বহু দূর চলে গেছে। আর একরাতেই বাজিমাত ;
৮) দীর্ঘ দিন ব্যবহার/ সংস্কার না করায় ঐ এলাকা বিষাক্ত সাপ, অশরীরী আত্মার অভয়ারণ্যে পরিনত হয়েছে। অযত্নে অবহেলায় তা পরিত্যক্ত হিসাবে রয়েছে ;
৯) পাশেই নদী, খাল-বিল থাকায় বিভিন্ন পাখির অভয়ারণ্যে রূপ নিয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
যাতায়াতের ভালো ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও দূর দূরান্ত হতে প্রতিদিন অগণিত মানুষ মঠ দেখতে আসেন। পাশেই চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের বাগড়া বাজার বা টুবগি হতে অনুমান দেড় কিলোমিটার এবং চান্দ্রা বাজার থেকেও প্রায় সমান দূরত্বে এর অবস্থান। বেশ কিছু পাকা রাস্তা রয়েছে। কিন্তু কিছু কাঁচা ও জরাজীর্ণ রাস্তা হওয়ায় একবার দেখে গেলে তার সব আশা মিটে যায়। অথচ বিশাল সম্ভাবনাময় এই পুরাকীর্তি টাকা পয়সা দিয়ে দ্বিতীয় বার নির্মাণ করলে মানুষের খুব একটা আগ্রহ থাকবে না।
ইতিহাস বলে হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্মানুযায়ী এক সময় মঠ ছিল ধর্মগুরুদের উপাসনালয়, দর্শন, চিন্তা -চেতনা বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যে উদ্দেশ্যেই হোক লোহাগড়ের মঠ কেবল এলাকাবাসী নয়। ইহা আমাদের অমূল্য জাতীয় সম্পদ। সদাশয় সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়নে বহুমুখী উন্নয়ন সাধন করছে। জাতীয় এই অমূল্য রত্মটির দিকেও একটু নজর দিলে ইহা অচিরেই বিশাল জাতীয় সম্পদে রূপান্তরিত হতে পারে।
সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি সংরক্ষণের দায়িত্বপূর্ণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। হাজার হাজার ভ্রমণপিপাসুদের প্রত্যাশা –
১) নতুন প্রজন্মের নিকট আমাদের সমৃদ্ধ অতীত তুলে ধরা ;
২) বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পুরাকীর্তি হিসেবে গেজেটভুক্ত করা;
৩) জাতীয় পুরাকীর্তি হিসেবে স্বীকৃতি দান;
৪) চারিদিকে বেষ্টনী নির্মাণ করা এবং যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা ;
৫) মঠের সঠিক ইতিহাস উদ্ধার করা এবং জনসম্মুখে তুলে ধরা;
৬) এলাকাটিকে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা ;
৭) কিছু শৌচাগার নির্মাণ করা ;
৮) দ্রুত এর যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করা ;
৯) স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক, সুধীমহল নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা।
কথায় বলে দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝা যায় না। এ প্রসঙ্গে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতার কিয়দংশ বলতে ইচ্ছে করে।
” দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুইপা ফেলিয়া
একটি ধানের শিষের উপরে
একটি শিশির বিন্দু। ”
আমরা অত্যন্ত আশাবাদী জনগণের বহুল প্রত্যাশা পূরণ হবে।
লেখক : প্রাক্তণ সিনিয়র সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.