সমন্বয়হীনতায় দখলে চলে যাওয়া নদী ও তীর উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়েছে : মেজর ( অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম

শাহরাস্তিতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সমন্বয়হীনতা থাকার কারণে দখলে চলে যাওয়া নদী ও তীর উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বিআইডব্লিউটিএ এবং নদীরক্ষা কমিশনের মধ্যে সমতা নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। এই বিষয় সংসদে আলোচনা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর অবসরপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি ।
এসময় তিনি আরো বলেন, আপাততঃ উচ্চ আদালতের নির্দেশে নদী রক্ষা কমিশন কাজ করছে। তবে বিআইডব্লিওউটিএ‘র সঙ্গে সমন্বয় করা গেলে যৌথভাবেই তারা পুরো কাজটি সম্পন্ন করতে পারবে। তখনই দেশের নদীগুলো রক্ষা করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে হাজিগন্জ- শাহরাস্তি ( চাঁদপুর – ৫) এলাকা থেকে নির্বাচিত চার চারবারের এমপি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্ত্রী মেজর ( অবঃ) রফিকুল ইসলাম তার নির্বাচনী এলাকার নানা ধরণের উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরেন । তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় আমি দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি কাজ করেছি। ডাকাতিয়া নদীর উপর আমরা কয়েকটা ব্রিজ করেছি। কয়েক হাজার কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা হয়েছে। স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ব্যাপক অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হয়েছে এবং উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে। দু’ উপজেলাতেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিয়েছি। এখানের জীবন মান উন্নয়নে যা কিছু করা প্রয়োজন সেটি আমরা করছি। ভৌত অবকাঠামো, রাস্তাঘাট, ব্রিজ এসব উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানে কি করা হয়েছে বা হচ্ছে এ প্রশ্নের জবাবে মেজর রফিক বলেন, হ্যাঁ আমরা এইখানে জোর দিচ্ছি। এখানে দু’ উপজেলায় ২ টি শিল্পনগরী তথা বিসিক শিল্প নগরী করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যেখানে আগামীতে যেমন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার উন্নয়নের সরকার। এছাড়াও তিনি মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের জানান, চাঁদপুরে আধুনিক নৌ- টার্মিনাল তৈরি করার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। শুধু টার্মিনালই নয় টার্মিনাল থেকে জানজট এড়াতে বাইপাস সড়কেরও পরিকল্পনা আছে যা পৌরসভার মাধ্যমে করতে হবে। আসছে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কিছু ভাবছেন কিনা, এ প্রসংঙ্গে মেজর রফিক বলেন, নির্বাচন এখনো অনেক দূরে। এ নিয়ে আমার আপাতত কোন ভাবনা নেই। যখনকাটা তখন। এখন ভাবনা, এলাকার মানুষের বাকি চাহিদা যা আমার চোখেও হয় নাই এমন কাজগুলো সম্পাদন করা। সেবার ব্রত নিয়ে রাজনীতিতে এসেছি, এমপি মন্ত্রী হয়েছি, মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন অকুতোভয় সৈনিক ছিলাম। যতোদিন আছি দুনিয়াটায় ততোদিন জনগনের জন্যই থাকবো। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিআইডবিøউটিএ‘র নির্বাহী প্রকৌশলী আমজাদ হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামছুজোহা, শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান শেফালী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ন রশিদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায় য়ক আহসান মঞ্জুরুল জুয়েল।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.