সূচীপাড়ায় ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে যে উন্নয়ন করেছেন তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে : মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
শাহরাস্তি উপজেলার সূচীপাড়া ব্রীজ হতে ছিখটিয়া ব্রীজ পর্যন্ত ডাকাতিয়া নদীর উওর পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মান কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টর কমান্ডার সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সস্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি। তিনি বলেন, হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিবাসীর পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি আমার সকল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন, কোনটিতেই বাধা দেননি। এ জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি বাংলাদেশে যে উন্নয়ন করেছেন এদেশের ইতিহাসে তা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নের কোন বিকল্প নাই
তিনি বলেন, এখানে শুধু ওয়াকওয়ে তথা হাটার পথই নয়, এখানে রেস্টুরেন্ট থাকবে, পার্কিং লট থাকবে। তবে এখান দিয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। আমি এটিকে একটু চওড়া করার জন্য বলেছি যেন জরুরী প্রয়োজনে তথা এখানে ঘুরতে এসে কেউ অসুস্থ বোধ করলে তাকে যেন রিক্সাযোগে নিয়ে আসা যায়- সেজন্য এটি আরও প্রশ্বস্ত রাখবো। এই ওয়াকওয়েতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে, লাইটিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি বলেন, এই ওয়াকওয়েকে কেন্দ্র করে আশপাশে অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। এতে করে স্থানীয় লোকজনের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ হবে। এছাড়া প্রশান্তির জন্য চাঁদপুর, নোয়াখালি, কুমিল্লার লোকজন এখানে আসবে। এ জায়গাটিকে খুব সুন্দরভাবে নির্মাণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই একটি ওয়াকওয়ে এই এলাকার চেহারা যে কতখানি বদলাবে তা আজ থেকে দেড় বা দু’ বছর পর আপনারা সবাই তা অনুভব করতে পারবেন। এসব কিছুর কৃতিত্ব আপনাদের। কারণ, আপনাদের সহযোগিতা না পেলে আমি সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। আমি এমপি না হলে আজকে এই ওয়াকওয়ে হতো না।
মেজর অব. রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকায় শাহরাস্তি – হাজীগঞ্জ ২ টি উপজেলার অসংখ্য স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ভবন সহ শত শত ব্রীজ, কালর্ভাট নির্মান করা হয়েছে। আজ ডাকাতিয়া নদীর উওর পাড়ে ওয়াকওয়ে স্থাপন করা হলে অচিরে একটি আধুনিক পর্যোটন কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, এটি একটি নীতিমালার মধ্যে চলে আসবে। এখানে যে যা ইচ্ছে তা করতে পারবে না। তিনি বলেন, এটি নির্মাণ হয়ে গেলে সারাদেশের মানুষ বলবে, চলো শাহরাস্তির ওয়াকওয়ে থেকে একটু ঘুরে আসি। কেউ এখানে হোটেল ব্যবসা করতে চাইলে নদীর ওপারে করতে হবে।
তিনি বলেন, আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদেরকে সম্মান শ্রদ্ধা জানাই, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরন করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রত্যেকটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। তিনি আরো বলেন, যতদিন এ সরকার ক্ষমতায় থাকবে ততদিন পর্যন্ত এ দেশের জনগনে ভাগ্য উন্নয়ন করে যাবে।
শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরিন আক্তারের সভাপতিত্বে ও শাহরাস্তি পৌর আওয়ামীলীগের সিনিয়র আহবায়ক আবদুল্লা আল মামুনের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক (এনজিপি,এনডিসি পিএসসি)। চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুত সমিতি জিয়াম মোঃ আতিকুরজ্জামান চৌধুরী, হাজীগঞ্জ উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা মমিনা আক্তার, শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাছরি জাহান চৌধুরী, পৌর মেয়র হাজূ আবদুল লতিফ ও শাহরাস্তি পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিসে ডিজিয়াম মোঃ মোবারক হোসেন। এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ও ছাএলীগ সহ সবস্তরের লোকজন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.