চাঁদপুর পৌর এলাকার ৬টি খাল ড্রেজিং করে পাড় বাঁধাই করা হবে : জিল্লুর রহমান জুয়েল

চাঁদপুর পৌরসভার নগর সমন্বয় কমিটির সভা
: আশিক বিন রহিম :
তৃতীয় নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্প (ইউজিআইআইপি -০৩) আওতায় নগর পরিচালন উন্নতিকরণ কর্মসূচী (ইউজিআইএপি) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চাঁদপুর পৌরসভার নগর সমন্বয় কমিটির (টিএলসিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে চাঁদপুর পৌর পাঠাগার মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল। পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মফিজউদ্দিন হালদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, পৌরভার সচিব আবুল কালাম ভূঁইয়া, চাঁদপুর আত্মনিবেদিত মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ডাক্তার মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাধা গোবিন্দ গোপ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাবুল, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির চাঁদপুর প্রতিনিধি অ্যাড. সাইফুদ্দিন বাবু, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী অধ্যাপিকা মাসুদা নূর খান, ইউএনডিপির টাউন ম্যানেজার আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে পৌর মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল বলেন, চাঁদপুর পৌরসভার উন্নয়নে আমি নাগরিকদের কাছে ওয়াদাব্ধ। পৌর নাগরিকরা আমাকে দলমত নির্বিশেষে ভোট দিয়ে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। সে দায়িত্ব পালনে আমি বদ্ধপরিকর। একটি পরিষদের প্রথম দুই আড়াই বছর চলে যায় অর্থ সংগ্রহে। আমরা অর্থ সংগ্রহ করার পাশাপাশি পৌরসভার নিজস্ব আয় বাড়িয়ে অপব্যয় কমিয়ে এনেছি।

তিনি বলেন, পৌরসভার নিজস্ব আয় দিয়ে অভ্যন্তরীণ ব্যায় নির্বাহ করাটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে গিয়োছিলো। আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিলো অভ্যন্তরীণ ব্যায়টা নিজস্ব আয় থেকে নিশ্চিত করবো। আমরা ইতিমধ্যে সেটি নিশ্চিত করেছি। আমরা পৌরসভার কর্মচারীদের পুরো বকেয়া বেতন পরিষদ করেছি। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর ১১ মাসে ১৭ মাসের বেতন দিতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, শহরের যানজট নিরসনে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যানজট নিরসনে আমাদের তত্ত্বাবধানে যেসব যানবাহন রয়েছে, আমরা সেগুলোকে নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করছি। বিশেষ করে ইজিবাইক গুলো। পৌরসভার অধীনে যেসব যানবাহন রয়েছে, সেসব যানবাহনের লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে করোনার কারণে আমরা কঠোর হতে পারিনি। আমরা তাদেরকে একমাস সময় দিয়েছি এরপর আমরা এ বিষয়ে কঠিন পদক্ষোপ নিবো।

তিনি আরো বলেন, চাঁদপুর পৌর এলাকায় ৬টি খাল রয়েছে। এই ৬টি খাল নিয়ে আমরা একটি প্রকল্প জমা দিয়েছি। এটি পাশ হলে খালগুলোকে ড্রেজিং করা হবে। ড্রেজিং হলে ভূমি উদ্ধার এবং পাড় বাঁধাই করা হবে। সেটি করলে খালে ভিতর অবর্জনা কিংবা রাইস মিলের ছাই ফেলা যা না। তাদের ব্যাপারে কঠোর হবো। এ ক্ষেত্রে সকলের সহযোগীতা লাগবে। আমরা সম্মিলিতভাবে চাঁদপুর শহরকে একটি নান্দনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলবো।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, পৌরসভার কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান দর্জি, মোঃ আলমগীর গাজী, মহিলা কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াস, আয়শা রহমান, গণপুর্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আলী হোসেন মজুমদার, মেঘনা সিডিসি ক্লাস্টারের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার, ডাকাতিয়া ক্লাস্টারের কেশিয়ার শিল্পী ঘোষ, ক্লাস্টার প্রতিনিধি মনিরা আক্তার প্রমুখ। এসময় পৌরসভার প্যানেল মেয়র সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সকল কাউন্সিলর ও নগর সমন্বয় কমিটির (টিএলসিসি) সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *