আদালতে মামলা করে ও রক্ষা করা যাচ্ছেনা ফসলি জমির মাটি
গভীর রাতে চলে মাটি চুরির মহাউৎসব
……… অভিযোগ পেয়ে পুলিশের নিরব ভূমিকা
………. অবৈধ ট্র্যাক্টর চালিয়ে নষ্ট করা হচ্ছে গ্রামীন থেকে হাইওয়ে সড়ক
ফরিদগঞ্জ(চাঁদপুর) প্রতিনিধি :
চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ উপজেলার সর্বত্র ফসলি জমির মাটি লুটেন মহাউৎসব চলছে। শুস্ক মৌসুমে ইট- ভাটার মাটির জন্য জমির উর্বর টপসয়েল, দিঘি,পুকুর,খাল এমনকি ফসলি জমির মধ্যস্থান থেকে পর্যন্ত কখনও দিনে, কখনও রাতের আঁধারে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণীর মানুষ। ইট -ভাটার মাটি ক্রয় বিক্রয়ে গড়ে উঠেছে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র। তারা ফসলি মাঠের এক অংশের মাটির জন্য নষ্ট করে পুরো মাঠ। এতে অনেকেই বাধ্য হয়েই জমির মাটি তুলে দিতে হয়, প্রতারক চক্রের হাতে।
জানা যায় এই মাটি কেনা বেচার জন্য গড়ে উঠেছে একটি প্রতারক চক্র। চক্রের সদস্যদের আধিপত্য বিস্তারে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ইউনিয়ন ভূমি সহাকারি অফিসরা দিনে মুসলেকা দিয়ে ছেড়ে দিলে তারা আবার রাতে মাটি কাটে।
ভুক্তভোগী একাধিক ব্যাক্তি জানিয়েছেন,
রাতে প্রশাসন তৎপর থাকলে মাটি চুরি রোধো ব্যাবস্থা নেওয়া সম্ভব।
উপজেলার বৈচাতলি গ্রামে রাতের আঁধারে ফসলি জমির মাটি কেটে অন্যান্য জমির ফসল নষ্ট করার প্রমান পাওয়া গেছে।
গত ১২ এপ্রিল নিজ জমির মাটি চুরি রুখতে মো: সিরাজুল ইসলাম শেখ উপজেলার কামতা বাগপুর গ্রামের ভিটির মাটি চুরি রোধে আদালতে ফৌজদারি কারাদণ্ড বিধির ১৪৫ ধারার জন্য আবেদন করলে, আদালত তা মঞ্জুর করে ফরিদগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে স্থীতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়।
২৩ এপ্রিল রাত ০৮:০০ ঘটিকায় ১৪৫ ধারা জারির অপর পক্ষ ২০-২৫ ট্র্যাকযোগে দ্রুত মাঠি চুরি করতে গেলে সিরাজুল ইসলাম ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনসার্চ হেলাল উদ্দিন ও এ এস আই জুয়েলকে মোবাইল ফোনে অবগত করলে পুলিশ অপর পক্ষ কে রাত ০২:০০ ঘটিকা পর্যন্ত সময় দেয়।
এতে অভিযক্ত শাহাদাত হোসেন গং অধিকাংশ মাঠি নিয়ে যায়।
ফরিদগঞ্জ থানার এ এস আই জুয়েল এর কাছে ১৪৫ ধারা ভঙ্গ করে মাঠি চুরির বিষয়ে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান, শাহাদাত মাটি নিচ্ছেনা। আমি কথা বলেছি, তাদের নিষেধ করেছি। তখনও মাঠি চুরি চলমান রয়েছে জেনে তাকে আবার অবগত করলে জানান, আমাকে বলেছে কাজ বন্ধ করবে। আপনি স্বজমিনে গিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, অসি স্যার তাকে ফোর্স নাদিলে তিনি যেতে পারবেন না। অসি স্যারের নির্দেশনা ব্যাতিত আমি যেতে পারবনা। তাদের বলেন! জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিতে, তাহলে আমি ডিউটি অফিসারকে বলে ফোর্স পাটাবো। অপরদিকে তার সাথে কথা বলার ১ মিনিট পর রাত ১২:১৪মিনিটে থানার অফিসার ইনসার্চ হেলাল উদ্দিনের কাছে ১৪৫ ভঙ্গ করে মাটি চুরির বিষয়ে জানতে চাইলে, বলেন সেখানে এ এস আই জুয়েলকে পাটানো হয়েছে তার সাথে যোগাযোগ করতে। জুয়েল তো যায়নি সে বলেছে ৯৯৯ ফোন দিতে একথা বললে অফিসার ইনসার্চ হেলাল উদ্দিন বলেন, সে জেতে নাপারলে আমাকে তো জানাবে সে কেন নির্দেশ অমান্য করল খোজ নিচ্ছি।
ফসলি জমির টপসয়েল কাটার বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকার জানান, দিনের বেলায় আমাদের উপ- সহকারী কৃষি অফিসাররা প্রতিটি ইউনিয়নে তৎপর থাকে বিধায় চক্রের সদস্যরা রাতের আঁধারে মাটি নিয়ে যায়।










