এইচএসসিতে চাঁদপুরে পাসের হার ৯৮.১৮, জিপিএ-৫ পেল ২ হাজার ২০৮ শিক্ষার্থী

বোর্ডে দ্বিতীয় স্থানে চাঁদপুর, জেলায় পাসের হারে শীর্ষে হাইমচর : এ প্লাসে সেরা সদর উপজেলা
ইব্রাহীম রনি :
চাঁদপুরে ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৬৩ কলেজের ১৭ হাজার ৬১৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৭ হাজার ২৯৫ জন। শতকরা পাসের হার ৯৮.১৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ২০৮ জন পরীক্ষার্থী। এ বছর এসএসসিতে বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে পাসের হারে ৯৮.৩২ শতাংশ কৃতকার্য হওয়ায় প্রথম স্থানে রয়েছে কুমিল্লা জেলা। আর ৯৮.১৮ শতাংশ পাস করায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চাঁদপুর জেলা এবং ৯৭.৬৩ শতাংশ পাস নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা।
এদিকে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলা রয়েছে সবার উপরে। এ জেলা থেকে ৪০ হাজার ৩৯৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৪৮ জন। আর ১৭ হাজার ৬১৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ২০৮ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় চাঁদপুর জেলা কুমিল্লা বোর্ডে রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। এছাড়া ১ হাজার ৫১১ জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বোর্ডে তৃতীয় স্থানে রয়েছে নোয়াখালি জেলা।
বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলার মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে হাইমচর উপজেলা। হাইমচর উপজেলায় এবার এইচএসসিতে পাসের হার ৯৯.৬৯ শতাংশ। ৯৯.৫৩ শতাংশ পাস করায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শাহরাস্তি উপজেলা এবং ৯৯.৩৩ শতাংশ পাস নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ফরিদগঞ্জ উপজেলা।
এদিকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে ৭৭১ এ প্লাস নিয়ে শীর্ষে রয়েছে চাঁদপুর সদর উপজেলা, ৪০৫ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় জেলায় দ্বিতীয় স্থানে হাজীগঞ্জ উপজেলা এবং ৩৯৪ জিপিএ-৫ নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কচুয়া উপজেলা।
উপজেলাওয়ারী প্রাপ্ত ফলাফলের হিসাবে দেখা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২টি কলেজ থেকে ৪ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৩ হাজার ৯৭১ জন। পাসের হার ৯৭.৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭১ জন পরীক্ষার্থী।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮টি কলেজ থেকে ২ হাজার ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ২ হাজার ২১৯ জন। পাসের হার ৯৯.৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২১ জন পরীক্ষার্থী।
কচুয়া উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে ২ হাজার ৪৮৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ২ হাজার ৪৬৬ জন। পাসের হার ৯৯.২৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯৪ জন পরীক্ষার্থী।
শাহরাস্তি উপজেলার ৫টি কলেজ থেকে ১ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ১ হাজার ৪৭৮ জন। পাসের হার ৯৯.৫৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৫ জন পরীক্ষার্থী।
মতলব দক্ষিণ উপজেলার ৬টি কলেজ থেকে ১ হাজার ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীতে এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ১ হাজার ২০৯ জন। পাসের হার ৯৪.৬৮ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৫ জন পরীক্ষার্থী।
মতলব উত্তর উপজেলার ১২টি কলেজ থেকে ২ হাজার ৩০৬ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ২ হাজার ২৮৪ জন। পাসের হার ৯৯.০৫ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯১ জন পরীক্ষার্থী।
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৯টি কলেজ থেকে ৩ হাজার ১১০ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৩ হাজার ৩০ জন। পাসের হার ৯৭.৪৩ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০৫ জন পরীক্ষার্থী।
হাইমচর উপজেলার ২টি কলেজ থেকে ৬৪০জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয় ৬৩৮ জন। পাসের হার ৯৯.৬৯ শতাংশ। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.