রামগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কে ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ:চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

সাংসদ ইন্জিনিয়ার মমিনুল হকের হস্তক্ষেপ কামনা

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি :

দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে রামগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কে ঢাকাগামী বিআরটিসি,আল আরাফাহ,পদ্মা এক্সপ্রেস,সুরমা পরিবহনসহ বিভিন্ন বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ রুটের হাজারো যাত্রী। দ্রুত বাস চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ গ্রহণে চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজার বিশ্বরোড চৌরাস্তায় কথা হয় কয়েকজন নিয়মিত যাত্রীর সঙ্গে। রামগঞ্জের আল মামুন, ফরিদগঞ্জের শাহজাহান ও হাজীগঞ্জের জামাল উদ্দিনসহ একাধিক যাত্রী জানান,দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করে কর্মস্থল ও গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

তাদের ভাষ্য,একসময় রামগঞ্জ-গৌরীপুর সড়ক দিয়ে অল্প সময় ও কম খরচে ঢাকা এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করা সম্ভব ছিল। বর্তমানে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়ে কুমিল্লা কিংবা চাঁদপুর হয়ে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে যাত্রার সময় বেড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লাগছে এবং ভাড়া গুনতে হচ্ছে প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। অথচ আগে একই গন্তব্যে মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছানো যেত।

যাত্রীরা আরও জানান,বর্তমানে হাজীগঞ্জ পশ্চিম বাজার বিশ্বরোড থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় কচুয়া উপজেলার কালচোঁ বাজারে গিয়ে সেখান থেকে সুরমা পরিবহনে উঠতে হচ্ছে। বারবার যানবাহন পরিবর্তন করায় নারী,শিশু,বয়স্ক,শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

ভুক্তভোগীরা বলেন,রামগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কে বিআরটিসি,আল আরাফাহ,পদ্মা এক্সপ্রেস, সুরমা পরিবহনসহ অন্যান্য বাস পুনরায় চালু হলে এ অঞ্চলের লাখো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে,সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও নিয়মিত যাত্রীরা।

তাদের প্রত্যাশা,জনদুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে,যাতে রামগঞ্জ-গৌরীপুর সড়কে আবারও নিয়মিত ঢাকাগামী বাস চলাচল শুরু হয় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটে।

শেয়ার করুন