হাইমচরের হালিম চত্বরের দোকান উচ্ছেদ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা
হাসান আল মামুন :
হাইমচরে দীর্ঘদিনের যানজট ও জনভোগান্তি নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপে অবসান ঘটেছে উপজেলা সদর আলগী বাজারের ‘হালিম চত্বর’ অবৈধ দখলদারিত্বের।
২ আগস্ট দুপুরে পরিচালিত এক বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আলগী বাজার কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন হালিম চত্বরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অপসারণ করা হয়। একই সঙ্গে সরকারি জায়গা দখল করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপরাধে এক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
হাইমচর উপজেলার প্রধান ও ব্যস্ততম বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলগী বাজার। এই বাজারের প্রাণকেন্দ্র ‘হালিম চত্বর’। অভিযোগ রয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী চত্বরের চারপাশের সরকারি ফুটপাত ও প্রধান সড়ক দখল করে অবৈধ ভাসমান চায়ের দোকান, ফল ও সবজির পসরা বসিয়ে আসছিল।
জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করায় পরিস্থিতির সার্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করে স্বয়ং মাঠে নামেন ইউএনও অমিত রায়। রোববার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি হালিম চত্বরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে চত্বরের ওপর অবৈধভাবে গড়ে তোলা দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং পুরো এলাকাটি সরকারি খাস জমি হিসেবে দখলমুক্ত করা হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে অভিযানে হাইমচর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল মোতায়েন ছিল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত রায় বলেন “জনভোগান্তি কমিয়ে আলগী বাজারকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কাউকেই আইন অমান্য করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হবে না।
বাজারের বৈধ ব্যবসায়ীরা জানান, ফুটপাত ও প্রধান সড়ক খালি হওয়ায় বাজারে ক্রেতাসমাগম বাড়বে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ সুশৃঙ্খল হবে।
উপজেলা প্রশাসনের এই সাঁড়াশি অভিযানের পর আলগী বাজারের হালিম চত্বরে দীর্ঘদিন পর ফিরে এসেছে শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্যের আমেজ।










